কয়েকদিনের মধ্যেই ফুটবল ফেডারেশন একটা সার্কুলার দেবে দুই বছরের জন্যে। সেইখানে যারা যারা অ্যাপ্লাই করবে, তাদের মধ্য থেকে বাফুফে কোচ বাছাই করে নিয়োগ দেবে । তবে এই জায়গায় একটা গ্রে জোনও আছে। সেটা হচ্ছে যদি কাবরেরা এইখানে এপ্লাই করতে চান? তবে তিনিও অ্যাপ্লাই করতে পারবেন।
ধারণা করা হচ্ছে, যদি অন্য কনো সুইটাবল কোচ না পাওয়া না যায়, তাহলে হাভিয়ের কাবরেরার সাথেই নতুন চুক্তিতে আবদ্ধ হতে যাচ্ছে ফুটবল ফেডারেশন । সেই ক্ষেত্রে চুক্তি রিনিউ করতে পারে।
তবে এখনও পর্যন্ত কাবরেরার সাথে বাংলাদেশ ফুটবলের যাত্রা এইখানেই শেষ বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ন্যাশনাল টিম কমিটি।
কাবরেরা অধীনে ৪ বছরে বাংলাদেশের বেকর্ডও অতটা খারাপ ছিল না। দায়িত্ব নেওয়ার সময় র্যাংকিং ছিল ১৮৬, এখন ১৮১। মাঝখানে ছিল ১৮০। কাবরেরার আগপর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশিবার ডাগআউটে দাঁড়ান ইংলিশ কোচ জেমি ডে। ২৯ ম্যাচে ৯ জয়, ৫ ড্র ও ১৫ হার নিয়ে তার অধীনে জয়ের হার ৩১ শতাংশ। জেমিকে ছাপিয়ে গেছেন কাবরেরা। তাঁর অধীন ৫১ মাসে বাংলাদেশ ৩৯টি ম্যাচ খেলেছে, যা দেশের ইতিহাসে কোনো কোচের অধীন সর্বোচ্চ ম্যাচের রেকর্ড।
তবে এ দীর্ঘ সময়ে কাবরেরার জয়ের হার মাত্র ২৫.৪৭ শতাংশ। ৩৯ ম্যাচের মধ্যে জয় ও ড্র ১০টি করে, হার ১৯টি। বলার মতো জয় বলতে গেলে ২২ বছর পর ভারতকে হারানো। এছাড়া ১০ জয়ের বেশির ভাগই মালদ্বীপ, ভুটান, কম্বোডিয়া ও সেশেলসের মতো দলের বিপক্ষে। কাবরেরার অধীন ২০২৩ সালের বেঙ্গালুরুতে ১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে ওঠা তাঁর বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হয়। সর্বশেষ তথ্য হলো হাভিয়ের কাবরেরার সাথে বাংলাদেশ দলের যাত্রা এইখানেই শেষ। এটা মোটামুটি নিশ্চিত।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!