ডিএমপির অভিযানে একদিনে ১৩ জনের কারাদণ্ড
ডিএমপির অভিযানে একদিনে ১৩ জনের কারাদণ্ড   ছবি: ফাইল ছবি

রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সমন্বিত অভিযানে একদিনেই ৩ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় এবং ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।


শনিবার (৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবৈধ দখল উচ্ছেদ, জরিমানা আদায়, মালামাল জব্দ এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। রাতের দিকে ডিএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) আরিফা আখতার প্রীতি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।


ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ জানায়, কোতোয়ালী ট্রাফিক জোনের নর্থ সাউথ রোড, বংশাল ও নয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪টি প্রতিষ্ঠান ও একজনকে মোট ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে একজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, যাত্রাবাড়ী জোনের গোলাপবাগ মোড় থেকে ধলপুর এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১৬ জন ব্যবসায়ীকে ৩১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
অন্যদিকে ট্রাফিক রমনা বিভাগ পান্থপথ থেকে গ্রীনরোড পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালায়। এসময় অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ৩৫টি ভিডিও মামলা ও ৪টি তাৎক্ষণিক মামলা করা হয়। 

পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৬২ হাজার টাকা জরিমানা এবং একজনকে গ্রেফতার করা হয়। ট্রাফিক মিরপুর বিভাগ সনি স্কয়ার, ঈদগাহ মাঠ, রাইনখোলা ও চিড়িয়াখানা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪টি দোকান থেকে ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে। এসময় একজনকে গ্রেফতার, ৪ জনের কাছ থেকে মুচলেকা এবং একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।


ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগ মালিবাগ রেলগেট থেকে রামপুরা ব্রিজ পর্যন্ত এলাকায় ৩০টি দোকান থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে এবং অন্যদের সতর্ক করে।
এছাড়া তেজগাঁও বিভাগ টাউনহল, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড ও বসিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩টি দোকানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। 

গুলশান বিভাগ মহাখালী কাঁচাবাজার এলাকায় ৯টি দোকান থেকে ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে। অন্যদিকে উত্তরা বিভাগ ৫০টি দোকানে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেফতার এবং একজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। ডিএমপি জানিয়েছে, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের সমন্বিত উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।