ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ লিখেছেন: “ঠিক এই মুহূর্ত থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরান যদি কোনো ধরনের হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালী ‘পুরোপুরি খুলে না দেয়’, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে সেগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেবে। আর শুরুটা হবে তাদের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দিয়ে! বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য ধন্যবাদ।”
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি ও তেলের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে ট্রাম্প ন্যাটো ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছেন—এ বিষয়ে তিনি বরাবরই স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন।
তবে আজ আমরা সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল কুপারের কাছ থেকেও জেনেছি যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপকূলীয় এলাকায় বিমান হামলা চালাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করতে সেখানে শক্তিশালী 'বাঙ্কার-বাস্টিং' বোমা ব্যবহার করা হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের হুমকি কমাতে বা নস্যাৎ করতে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের তৎপরতার কথা বেশ স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। সারাদিন ধরে আমরা শুনছিলাম যে, ওই প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেল ট্যাঙ্কার ও জাহাজে হামলা চালানোর ইরানি সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এমতাবস্থায়, ট্রাম্পের মুখে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের (এস্কালেশন) ডাক শোনাটা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক বিষয়।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!