কিডনি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা বর্জ্য পদার্থ বের করা, পানির ভারসাম্য বজায় রাখা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু কিডনির সমস্যা অনেক সময় নীরবে শুরু হয়, ফলে রোগ অনেকক্ষণ পর্যন্ত অজানা থাকে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজ অ্যান্ড ইউরোলজির আবাসিক চিকিৎসক ডা. মীর রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন, কিডনির সমস্যার প্রাথমিক কিছু লক্ষণ আছে, যা সময়মতো শনাক্ত করলে গুরুতর অবস্থা এড়ানো যায়।
কিডনির সমস্যা বোঝার কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ:
প্রস্রাবে পরিবর্তন – রঙ, পরিমাণ বা গাঢ়তা পরিবর্তন; জ্বালাপোড়া বা ফেনা দেখা।
শরীর ফুলে যাওয়া – পা, গোড়ালি, চোখের নিচে বা মুখমণ্ডলে অস্বাভাবিক ফোলা।
অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা – সারাদিন ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া।
ক্ষুধামন্দা ও বমিভাব – খাবারে অনীহা, মুখে তিক্ত স্বাদ, খাবার খেলে অস্বস্তি।
ত্বক শুষ্ক ও চুলকানি – দীর্ঘদিন ত্বকে চুলকানি বা শুষ্কতা।
উচ্চ রক্তচাপ – দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং বিপরীতভাবেও প্রভাব ফেলতে পারে।
ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপে ভোগা, পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকা বা নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ সেবনকারীরা বেশি ঝুঁকিতে। এ ধরনের ব্যক্তিদের বছরে অন্তত একবার কিডনির পরীক্ষা করানো উচিত।
কিডনি ভালো রাখতে করণীয়
পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
লবণ কম খান।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
অযথা ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।
ডা. মীর রাশেদুল হাসান বলেছেন, “সচেতনতা এবং নিয়মিত পরীক্ষা করানোই কিডনি রোগের ঝুঁকি কমানোর মূল চাবিকাঠি। শরীরের ছোট ছোট পরিবর্তনের দিকে নজর দিন, কারণ অনেক সময় শরীর আগেই সংকেত দেয়।”
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!