বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ফিরতে পেরে তিনি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) ও ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে দূতাবাস।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে প্রকাশিত ওই পোস্টে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথগ্রহণকারী ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।’
পোস্টে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।’
তিনি আরও বলেন, ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে কর্মরত আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে আমি আগ্রহী।
একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করা এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে তিনি উচ্ছ্বসিত বলেও উল্লেখ করেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশের পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করে। তিনি হচ্ছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত। তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং সিনিয়র ফরেন সার্ভিস কাউন্সেলের সদস্য। তিনি এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডে বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।
ক্রিস্টেনসেনের অন্যান্য কর্মস্থলের মধ্যে ফিলিপাইনের ম্যানিলা, এল সালভাদরের সান সালভাদর, সৌদি আরবের রিয়াদ এবং ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি উল্লেখযোগ্য। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বিদায়ের পর থেকে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। এ সময় দূতাবাসে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে রুটিন দায়িত্ব পালন করছেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
এমকে/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!