প্রতি ঈদের মতো এই ঈদেও নতুন নোট কিনছেন সাধারণ মানুষ। এবারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তার সুযোগ নিচ্ছে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী। রাজধানীর খোলা বাজারে নতুন নোট কিনতে ক্রেতাদের দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রকাশ্যেই হচ্ছে টাকা কেনাবেচা।
বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেট-সংলগ্ন ফুটপাতে সারি সারি অস্থায়ী দোকানে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন মূল্যমানের নতুন নোটের বান্ডেল।
দুই টাকা থেকে এক হাজার টাকা—সব প্রকার নোট পাওয়া যাচ্ছে এখানে। তবে প্রতি বান্ডিল নোট তার মূল্যমানের চেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। নোটের বাজারে বর্তমানে ৫, ১০ ও ২০ টাকার নোটের চাহিদা বেশি। ২, ৫০ ও ১০০ টাকার নতুন কারুকাজ করা নোটও বিক্রি হচ্ছে। তবে নতুন কারুকাজ করা নোটের দাম সবচেয়ে বেশি।
বিক্রেতারা জানান, প্রতি বান্ডিলে ১০০টি করে নোট থাকে। যদি কেউ বান্ডিল না নিয়ে তার চাহিদামতো নোট নিতে চায়, নিতে পারবে; তবে এক্ষেত্রেও দিতে হবে বাড়তি টাকা।
২ টাকার নতুন বান্ডেলে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ৫ টাকার বান্ডেলে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ১০ টাকার বান্ডেলে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ২০ টাকার বান্ডেলে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং ৫০ টাকার বান্ডেলে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। ১০০ টাকার বান্ডেলেও অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে ৬০০ টাকা। এ ছাড়া ২০০, ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নোট কিনতেও ক্রেতাদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।
বান্ডেলপ্রতি অতিরিক্ত দাম নেওয়ার বিষয়ে ক্রেতারা বলেন, এসব নোট তাদেরও চড়া মূল্যে সংগ্রহ করতে হয়। লাভ না করলে ঈদের খরচ চালানো অসম্ভব।
এবার নতুন নোট ছাড়েনি বাংলাদেশ ব্যাংক, ফলে ব্যাংক থেকে নতুন নোট সংগ্রহ করতে না পেরে অস্থায়ী এসব টাকার বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা।
ক্রেতারা বলছেন, দাম বেশি হলেও কিনতে হচ্ছে। কেউ শখের বসে কিনছেন, আবার কেউ ঈদে সালামি দেওয়ার জন্য কিনছেন। আবার অনেকে ব্যাংকে গিয়ে টাকা না পেয়ে প্রশ্ন তুলছেন—সেই টাকা এখানে পাওয়া যাচ্ছে কীভাবে?
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!