জ্বালানি সাশ্রয়, বন্ধ, দোকান ও শপিংমল
জ্বালানি সাশ্রয়ে আগে বন্ধ হতে পারে দোকান ও শপিংমল।   ছবি: আরটিএনএন

দেশের জ্বালানি খাতে বাড়তি চাপ সামাল দিতে দোকানপাট, মার্কেট ও শপিংমল বন্ধের সময় এগিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যেই বন্ধ করার নির্দেশনা আসতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। করোনাভাইরাস মহামারির সময় সংক্রমণ কমাতে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু জানিয়েছেন, দোকানপাট ও শপিংমলের খোলা-বন্ধের সময়সূচি নিয়ে সরকার বৃহস্পতিবার নতুন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এ বিষয়ে সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকও হয়েছে এবং তাদের মতামত সরকারকে জানানো হবে।

তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি অনেক অফিস বিকেল ৫টায় ছুটি হয়। ফলে কর্মজীবী মানুষদের কেনাকাটার সুযোগ রাখতে অন্তত রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

এর আগে গত ১৫ মার্চ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের শর্তে মার্কেটগুলোর আলোকসজ্জা প্রায় ৪০ শতাংশ কমানোর আশ্বাস দেন ব্যবসায়ীরা।

বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধসহ নানা কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় সরকার একাধিক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাস, সরকারি কর্মীদের হোম অফিস এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাড়ানোর বিষয়ও রয়েছে। এসব প্রস্তাব নিয়েও আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।