বিএনপি, তারেক রহমান, ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতি, শেখ হাসিনা,
বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।   ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই প্রতিটি ঘটনায় তারেক রহমানের নাম জড়িয়ে দেয়া ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই প্রতিফলন। অতীতে ফ্যাসিবাদী আমলে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা নিয়মিত এ ধরনের আচরণ করত এবং শেষ পর্যন্ত তারা কীভাবে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে জনরোষের মুখে পড়েছে, তা দেশবাসীর অজানা নয়।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।

স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ঢাকা-৮ আসনের এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনি প্রচারণার বিধিসম্মত সময়ের অনেক আগেই ভোট চাইতে শুরু করেছিলেন। তার কথাবার্তা ও আচরণে যে ঔদ্ধত্য এবং প্রচারে থাকার জন্য যে মুখরোচক বক্তব্য, তা সবার নজরে পড়েছে। 

দেশি-বিদেশি মানুষের সামনে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার, কখনো ভোটারের সঙ্গেই আক্রমণাত্মক আচরণ, আবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে ক্রমাগত মিথ্যাচার, এসবই হয়তো ভাইরাল হওয়ার কৌশল!

বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে অবিরত অশালীন আচরণ করা সত্ত্বেও, তিনি যথেষ্ট ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ইতিবাচকভাবেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

দুঃখজনক বিষয় হলো, আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়েছে, যেমনটি এর আগেও ঘটেছিল বলে আমরা দেখেছি। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই কোনো ধরনের প্রমাণ, তদন্ত বা সাক্ষ্য ছাড়াই, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দাবি করে বসেন যে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমর্থনে এবং মির্জা আব্বাসের নির্দেশে ছাত্রদল ডিম মেরেছে।

যেই হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে ঘটনাটি ঘটেছে, সেই কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, এমনকি ঢুকতেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাধা দিয়েছিলো। দাওয়াত না থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন এতো বহিরাগত লোক নিয়ে প্রবেশ করলেন, যাওয়ারই কথা না অথচ তার জন্য কারা ডিম রেডি রাখলো বা মারামারি করলো, এবং এই ঘটনার সঙ্গে তারেক রহমান, মির্জা আব্বাস বা ছাত্রদলের সম্পর্কই বা কী, সেটি বিরাট রহস্য। 

শেষে মাহদী আমিন বলেন, নির্বাচন যেন অযৌক্তিক নাটকীয়তার মঞ্চে পরিণত না হয়—সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন থাকতে হবে।