স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এখন টেলিভিশন-এর চার সাংবাদিককে গণভোট ও সংস্কারের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মতপ্রকাশের কারণে শোকজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদকে জোরপূর্বক অব্যাহতি দেওয়ার লক্ষ্যে বিএনপিপন্থী কতিপয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টির অভিযোগও সামনে এসেছে।
নেতৃবৃন্দের ভাষ্য, নির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণের মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অবাধ তথ্যপ্রবাহের প্রশ্নে জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা দাবি করেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে শেখ মুজিবুর রহমান যেভাবে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে একদলীয় শাসন কায়েম করেছিলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নতুন বাংলাদেশে তারই প্রতিফলন হিসেবে দেখা দিচ্ছে। তাদের মতে, এ ঘটনা গণমাধ্যমের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত সংস্কারের দাবিকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে। সদ্য সমাপ্ত গণভোটে দেশের জনগণ ‘জুলাই সনদ’ ও সংস্কারের পক্ষে যে রায় দিয়েছে, সরকার তা বাস্তবায়নে অনীহা দেখাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন নেতৃবৃন্দ। একদিকে গণভোটের রায় উপেক্ষা এবং অন্যদিকে গণমাধ্যমে দলীয়করণ—এ দুটিকে একই সূত্রে গাঁথা বলে উল্লেখ করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় যারা বাস্তব চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন, তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণ নতুন বাংলাদেশে মেনে নেওয়া হবে না। অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট পাঁচ সাংবাদিককে সসম্মানে স্বপদে পুনর্বহাল করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তারা। পাশাপাশি গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিফলন ঘটিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!