ইসি, বিএজেপি
নির্বাচন কমিশন ভবনে আমজনগণ পার্টির নিবন্ধন ইস্যুতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।   ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন নিয়ে শুনানি শেষে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি (বিএজেপি)। দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, একটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কমিশনকে প্রভাবিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচন কমিশন ভবনে আমজনগণ পার্টির নিবন্ধন ইস্যুতে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গণবিজ্ঞপ্তি জারির ৩ মাস ২২ দিন পর অনুষ্ঠিত এই শুনানিতে চারজন নির্বাচন কমিশনার এবং দলটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন এবং ইসি সচিব সভায় উপস্থিত ছিলেন না।

শুনানি শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলটির সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম বলেন, যেসব জেলা ও উপজেলায় তারা কমিটি দেননি, সেসব স্থান থেকেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নেতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। তিনি এটিকে “পরিষ্কার ষড়যন্ত্র” আখ্যা দিয়ে বলেন, তাদের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার চর্চায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দল নিবন্ধন পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দলের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই; অভিযোগগুলো মূলত ব্যবসা ও ব্যক্তিগত বিষয়ক। ব্যক্তিগত কোনো বিষয়ের দায় দল নেবে না, সেটি আইন-আদালত দেখবে। “আমাদের সামনের সারিতে যারা আছেন, তারা সবাই জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধা। নিবন্ধন নিয়ে আর কোনো নয়-ছয় করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না,”—বলেন তিনি।

দলটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আমীন তার বিরুদ্ধে ডেসটিনি–র সঙ্গে সম্পৃক্ততার খবরকে মিথ্যা দাবি করেন। তিনি বলেন, ডেসটিনির সব অফিস বহু বছর ধরে বন্ধ এবং বর্তমানে সেসব স্থাপনা দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটিকে ডেসটিনির উদ্যোক্তাদের দল বলেও যে প্রচারণা চলছে, তা সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি। বরং গণঅধিকার পরিষদ–সহ বিভিন্ন দল থেকে অনেকে এখানে যোগ দিয়েছেন বলে জানান।

তিনি বলেন, দলের যথাযথ কমিটি ও কার্যালয় রয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন সত্য উদঘাটন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে—এমনটাই তাদের প্রত্যাশা।