বিএনপি
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।    ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ চলছে। নিঃসন্দেহে এ বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ চলছে। নিঃসন্দেহে এ বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিএনপি যখনই সরকারে আসে তখনই একটা করে বড় রকমের ঝামেলা আসে। এর আগেও এমনটা দেখা গেছে। এবার এসেছে ইরান যুদ্ধ। এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে।

তবে বিএনপি সরকার এখন পর্যন্ত যোগ্যতার সঙ্গে এই বিষয়গুলো মোকাবিলা করেছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এর ফলে দেশে তেলের দাম এখনও বাড়েনি। এ ছাড়াও এবার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোতে বেতন না দেওয়ার যেসব ঝামেলা হয়, সেগুলো হয়নি। কারণ এসব বিষয়ে এবার আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে দাবি করে তিনি বলেন, এক মাসে আমরা সরকারের সব ক্ষেত্রেই সাফল্য দেখছি। আমাদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দেশের অর্থনীতিকে পুনরায় সুস্থ ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা। সরকারের সামগ্রিক মূল্যায়ন করে গত এক মাসে সরকারের নেওয়া নানান পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি। 

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদের ব্যাপারে আমরা শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেগুলো আমরা সই করেছি। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই – আমরা যেগুলোতে একমত হয়েছি, সেই বিষয়গুলোতে আমরা কমিটেড। আর যেগুলো আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া, এগুলো মেনে নেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। 

এ সময় সংসদে এ বিষয়ে আলোচনার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা বিষয়টি সংসদে আনুন, আমরা আলোচনা করি। সেই আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা একটা জায়গায় পৌঁছাতে পারব। কিন্তু সংসদে আলোচনা না করে যদি আগে থেকেই রাস্তার হুমকি দিতে থাকে, তাহলে তো যে কারণে আমরা সংসদ তৈরি করেছি সেটিতে কাজ করা অতটা সঠিক বলে আমি মনে করি না।