বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জামায়াত। দলটি বলেছে, এ সিদ্ধান্তে জনজীবন ও শিল্প-কলকারখানার উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নাগরিকদের দৈনন্দিন অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। এর মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠবে। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে তিনি জনস্বার্থবিরোধী বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর ফলে শিল্প খাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়তে পারে, যা সরাসরি জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দাম প্রতি কেজিতে একসঙ্গে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছে, যা নজিরবিহীন। এর ফলে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা, যা গত মাসে ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৩৮৭ টাকা।
এছাড়া অটোগ্যাসের দামও বড় ব্যবধানে বাড়ানো হয়েছে। এপ্রিল মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ১৭ টাকা ৯৪ পয়সা বাড়িয়ে মূসকসহ ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত মার্চে ছিল ৬১ টাকা ৮৩ পয়সা।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অটোগ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন খাতে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। এতে করে জনগণ ঘরে-বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই বাড়তি ব্যয়ের চাপে পড়বেন।
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে প্রয়োজনীয় আমদানি ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে জনজীবনকে স্বস্তিদায়ক রাখতে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!